স্টাফ রিপোর্টার::একুশ ও ছত্রিশের চেতনার আলোকে স্পর্ধিত তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সব সীমাবদ্ধতা জয় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মেঘনা ও তিতাস বিধৌত অঞ্চলের জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক একুশে আলোর দুই যুগে পদার্পণ উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে একুশে আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামল চন্দ্র বসাক এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। একুশে আলোর সম্পাদক ও প্রকাশক সেলিম পারভেজের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন দি এশিয়ান এইজ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মোঃ সুজন মিয়া, আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বিল্লাল হোসাইন ও বৈশাখী টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আল মামুন। অনুষ্ঠানে বি়ভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামল চন্দ্র বসাক বলেন, একুশে হচ্ছে আমাদের মূল চেতনার নাম আর আলো হচ্ছে যা অন্ধকার দূরীভূত করে। তাই একুশে আলো তার নামের আক্ষরিক অর্থেই একুশের চেতনাকে ধারণ করে সমাজের অন্ধকার দূরীভূত করে এ অঞ্চলে আলো ছড়াচ্ছে।
আমরা আশা করব অনাগত দিনে পত্রিকাটি দেশব্যাপী এ আলো ছড়িয়ে সমৃদ্ধ জাতি গঠনে আরো বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে। সম্পাদক ও প্রকাশক সেলিম পারভেজ বলেন, ইতোমধ্যেই একুশে আলো প্রিন্ট, অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়া ভার্সনের মাধ্যমে আরো বৃহৎ পরিসরে প্রকাশের লক্ষে পরিকল্পনা গ্রহন করেছে। তিনি এ জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।উল্লেখ্য যে, মেঘনা ও তিতাস বিধৌত অঞ্চলে সংবাদপত্র জগতের ধারা পাল্টে দিতে বিগত ২০০২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল একুশে আলো।
সাপ্তাহিক হিসেবে অগনিক পাঠকের আস্থা ও ভালবাসায় সিক্ত হয়েছে একুশে আলো। পরবর্তীতে পাঠকের দাবি ও চাহিদার প্রেক্ষিতে ২০০৭ সালে সাপ্তাহিক থেকে দৈনিকে উন্নীত হয় পত্রিকাটি।প্রকাশনার শুরু থেকে সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার সাহস নিয়ে টিকে থাকার লড়াইয়ে একুশে আলো থেকেছে বরাবরই আপসহীন। বদলে যাওয়া সংবাদ জগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজস্ব ধারা ধরে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে একুশে আলো পা রেখেছে দুই যুগে।